সুন্দরবনে আগুন লাগার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান বন সংরক্ষক বলেন, আমরা এখন সবাই ব্যস্ত আগুন নেভানোর জন্য। আমি নিজেও আগুন নেভানো ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সুতরাং যেসব কারণে আগুন লাগতে পারে… কোনও কারণকেই আমরা উড়িয়ে দিচ্ছি না। মৌয়ালের কারণেও আগুন লাগতে পারে। যারা মাছ ধরে… তারা ইচ্ছা করে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে- এটিও আমরা উড়িয়ে দিচ্ছি না। আবার দুর্ঘটনাবশত কারো হাত থেকে আগুন পড়ে গিয়েও লাগতে পারে, সেটিও আমরা উড়িয়ে দিচ্ছি না। সবগুলো হাতে রেখেই আমরা কাজ করছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগুন লাগার ঘটনায় একটি বিশেষজ্ঞ টিম গঠন করা হবে। তারা আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে একটি সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিল করবে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট স্থানটিতে কোন জীব বৈচিত্র ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি। বিগত দুই যুগে জায়গাটিতে অন্তত: ২৫ বার আগুন লেগেছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দো, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় (ডিএফও) বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেনসহ বন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, শনিবার (৪ মে) বিকেল পৌনে ৩টায় সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের আমরবুনিয়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।