৫ আগস্টের পরে জামায়াতে ঢোকার জন্য চেষ্টা করেছিল কিন্তু সুযোগ না পেয়ে বিএনপির সার্চ কমিটিতে সুযোগ পেয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক বিএনপি নেতা বলেন, বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে থেকে সকল সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন আসাদুজ্জামান খোকন। সে কীভাবে এই সার্চ কমিটিতে স্থান পেল। খোকনসহ গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বিএনপি সেজে যারা দলে ঢুকে পড়েছে। সে সব আওয়ামীলীগ কর্মীকে প্রতিহত করতে হবে।
গত ১৭ বছর থেকে বিএনপির ওয়ার্ড নির্যাতিত নেতাদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের দোসর আসাদুজ্জামান খোকন সার্চ কমিটিতে পদ পাওয়ায় আমরা ক্ষিপ্ত। সার্চ কমিটি থেকে তাকে বাদ দিয়ে ত্যাগী নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানাচ্ছি। নেতাকর্মীরা আরও জানান, আসাদুজ্জামান খোকন নিজের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে খোকনের পরিবারে দখলে থাকা আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ বিঘা খাস জমি দখল টিকিয়ে রাখতে কখনও আওয়ামীলীগ, কখনও বিএনপি সাজে। শুধু তাই নয় খোকনের অত্যাচারে তার এলাকার মানুষও অতিষ্ঠ।
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহবায়ক আশরাফ হোসেন জানান, আমি ২০০৯ সাল থেকে রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করে এসেছি। ৫ আগস্টের পর বিএনপিকে কলুষিত করার জন্য কিছু আওয়ামীলীগের দোসর উঠেপড়ে লেগেছে। তার মধ্যে একজন আসাদুজ্জামান খোকন। খোকনসহ কোন আওয়ামীলীগের দোসর সার্চ কমিটিসহ বিএনপির কোন পদে না থাকতে পারে তার জোর দাবী জানাচ্ছি।
সার্চ কমিটি গঠন নিয়ে জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ (২৯ এপ্রিল) মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানান, সাতক্ষীরা সদর ও পৌর বিএনপির বিদ্যমান সম্ভাব্য সকল নেতৃবৃন্দ যারা এই দুইটি ইউনিটে নেতৃত্বে আসতে চান তাদের সকলের কাছ থেকে সার্চ কমিটি গঠনের উপলক্ষে একটি লিস্ট চাওয়া হয়, ঐ সকল লিস্টগুলো সমন্বয় করে সার্চ কমিটি অনুমোদন করা হয়।
তবে কারো যদি কোন প্রশ্ন বা নালিশ থাকে সেগুলো জেলা বিএনপি আমলে নিয়ে সংযোজন ও বিয়োজন করবে। দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কোন কার্যক্রম না করার জন্য জেলার সকল নেতৃবৃন্দকে সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন জেলা বিএনপির আহবায়ক।