মিছিল গণসংযোগে সহ তারেক জিয়ার ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ সহ বিভিন্ন সভা সমাবেশ করে যাচ্ছেন। ঐ সময় বক্তারা বলছেন দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আলাউদ্দিন ভাই দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের সঙ্গে আছেন। তিনিই আন্দোলন সংগ্রামে পরীক্ষিত নেতা।
বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন বলেন দল আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দিয়েছে। আমি এই আসন বিএনপিকে উপহার দিতে চাই কর্মীদের আবেগ আছে।
কেউ আমাকে ভালবাসে আবার কেউ ডাঃ শহিদুল আলমকে ভালবাসেন। কিন্তু আমরা সবাই একই দলের মানুষ। এই গ্রুপিং বিভাজন শীঘ্রই মিটে যাবে। তিনি আরো বলেন আমি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে আস্থাশীল। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করেই জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনবো। অপরদিকে ডাঃ শহিদুল আলম বলেন দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি।
তবে আমার নেতাকর্মী কর্মী সমর্থক ভক্তরা ভালোবাসা থেকে আন্দোলন করছে। আমি কাউকে রাস্তায় নামতে বলেনি। আমি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে নই। তবে আমার দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের আশা দল মনোনয়নের ব্যাপারে পূর্ণ বিবেচনা করবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন এ আসনে ডাঃ শহিদুল আলমের বিকল্প নাই।
তিনি একমাত্র যোগ্যপ্রার্থী এবং দীর্ঘদিন এই অঞ্চলের জনগণের জন্য কাজ করে জনগণের অন্তর তথা মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে। এখানে তাকে মনোনয়ন না দিলে এ আসন নিশ্চিত হারাবে বিএনপি। কাজী আলাউদ্দিনের কালিগঞ্জে বাড়ি হলেও আশাশুনি উপজেলা তার জন্য একেবারেই নতুন। তাছাড়াও এই আসনটি জামায়াতের একটি শক্ত ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত। তাই জনগণের দাবীকে সমর্থন জানিয়ে বিএনপির উচিত ধানের শীষ বাঁচানোর জন্য পূর্ণ বিবেচনা করে মনোনয়নপত্র শেষ পর্যন্ত ডাঃ শহিদুল আলমকেই না দিলে দলের এই বিভাজন দূর হবে না।
তাছাড়া তিনি বিগত ২০০১ সালে ভাঙ্গন কবলিত জাতীয় পার্টিতে নাজিউর রহমান মঞ্জু (নাফি) গ্রুপ থেকে বিএনপি, জামায়াতের ৪ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ।
তিনি আরো বলেন ২০০৬ সালের দিকে বিএনপিতে যোগদান করার পরে আর কোন সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করেননি । তৎকালীন কালিগঞ্জ- দেবহাটা উপজেলা নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা- ৪ আসনে কাজ করলেও বর্তমান বিভাজনকৃত কালীগঞ্জ- আসাশুনি নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-৩ আসনে তিনি বিশেষ করে আশাশুনি মানুষের কাছে একেবারে নতুন মুখ হিসাবে পরিচিত। অপরদিকে ডাঃ শহিদুল আলম দীর্ঘ ২৫/৩০ বছর ধরে এই অঞ্চলের মানুষের বিনা খরচে চিকিৎসা সেবা সহ রাজনৈতিকভাবে সবার সেবা দিয়ে আসছে। যে কারণে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ,খ্রিষ্টান বলে কোন ভেদাভেদ ছাড়া তিনি সবার নিকট গরীবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত লাভ করে গরিবের ডাক্তার খেতাব পেয়েছে।
গতকাল বুধবার সকালে কাজী আলাউদ্দিন ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ এবং ধানের শীষের প্রচারে কালিগঞ্জ উপজেলা সদরের আল্লাহর দান মৎস্য অকশন সেন্টার এবং কাচা বাজার সহ এলাকার হাটবাজারে বিভিন্ন দোকানে দোকানে গিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন।
https://slotbet.online/