উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে আওয়ামী লীগ নেতাদের জয়জয়কার। ১৩৯টি উপজেলার মধ্যে বিজয়ীদের মধ্যে বেশির ভাগই আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ঘোষিত বেসরকারি ফলে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতার জয়ের খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র থেকে আটজন, বিএনপির বহিষ্কৃত ৫ নেতা, জাতীয় পার্টির ৩ জন, জাতীয় জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) ২ জন এবং ইসলামী আন্দোলন ও আল ইসলামের একজন করে বিজয়ী হয়েছেন।
বিএনপি থেকে নির্বাচিতদের আগেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে তারা নির্বাচনে অংশ নেন।
মেহেরপুর সদরে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আনারুল ইসলাম, মুজিবনগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমাম হোসেন মিলু, কুষ্টিয়া সদরে শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, খোকসায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল মাসুম মুর্শেদ শান্ত, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান, দামুড়হুদায় দর্শনা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী মুনসুর বাবু, ঝিনাইদহ সদরে আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান মাসুম, কালীগঞ্জে উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শিবলী নোমানি,
যশোরের মনিরামপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমজাদ হোসেন লাভলু, কেশবপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মফিজুর রহমান, মাগুরা সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রানা আমির ওসমান, শ্রীপুরে আওয়ামী লীগ কর্মী শরীয়ত উল্লাহ হোসেন মিয়া, নড়াইলের কালিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খান শামীমুর রহমান ওছি, বাগেরহাট সদরে জেলা যুবলীগ সভাপতি সরদার নাসির উদ্দিন, রামপালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, কচুয়ায় রাঢ়ীপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মেহেদী হাসান বাবু, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ মেহেদী হাসান সুমন এবং শ্যামনগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাঈদ উজ জামান বিজয়ী হয়েছেন।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় ক্ষেতলাল পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি দুলাল মিয়া সরদার, কালাইয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিনফুজুর রহমান মিলন, আক্কেলপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোকসেদ আলী মণ্ডল, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাখাওয়াত হোসেন সজল, সোনাতলায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিনহাদুজ্জামান লিটন, গাবতলীতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকমিটির সদস্য অরুণ কান্তি রায়, নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আজাহার আলী, পত্নীতলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাফফার চৌধুরী, বদলগাছীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক শামসুল আলম খান,
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে উপজেলা যুবলীগের অর্থ সম্পাদক বেলাল উদ্দিন সোহেল, তানোরে উপজেলা যুবলীগ সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, সিরাজগঞ্জ সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন, কাজীপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান সিরাজী, বেলকুচিতে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম সরকার, পাবনার সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল রানা খোকন, সুজানগরে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল ওহাব, বেড়ায় আমিনপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক বাবু উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বলে সমকালের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
কুমিল্লা জেলায় ১৩টি উপজেলার মধ্যে ১১টিতে আওয়ামী লীগ, একটিতে ইসলামী আন্দোলন, আরেকটিতে বিএনপি প্রার্থী এগিয়ে আছেন। তবে এরই মধ্যে আটটিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। লাকসামে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইউনুছ ভুইয়া, মনোহরগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মান্নান চৌধুরী, মেঘনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজ, চাঁদপুর মতলব উত্তরে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ মানিক, মতলব দক্ষিণে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল মোস্তফা তালুকদার, ফেনীর পরশুরামে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ফিরোজ মজুমদার, ফুলগাজীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন মজুমদার, নোয়াখালীর হাতিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশিক আলী বিজয়ী হয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আওয়ামী লীগ নেতা শের আলম, নাসিরনগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসম্পাদক রুমা আক্তার, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আতাহার ইশরাক সাবাব চৌধুরী, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, রামগতিতে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল বিজয়ী হয়েছেন।
বরিশাল সদরে স্বতন্ত্র আব্দুল মালেক ও বাকেরগঞ্জে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য রাজীব তালুকদার, পিরোজপুর সদরে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজীদ হোসেন, নাজিরপুরে আওয়ামী লীগের নূরে আলম সিদ্দিকী ও ইন্দুরকানীতে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী বিজয়ী হয়েছেন।
রংপুরের কাউনিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম মায়া, পীরগাছায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন মিলন, পঞ্চগড় সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত শাহনেওয়াজ প্রধান, তেঁতুলিয়া উপজেলায় স্বতন্ত্র নিজাম উদ্দীন খান, আটোয়ারী উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতা আনিসুর রহমান, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সফিকুল ইসলাম ও হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল কাইয়ুম পুষ্প বিজয়ী হয়েছেন।
দিনাজপুরের হাকিমপুরে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কামাল হোসেন রাজ, ঘোড়াঘাট উপজেলায় আওয়ামী লীগের শুভ রহমান চৌধুরী, বিরামপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পারভেজ কবির, গাইবান্ধার ফুলছড়িতে আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ, সাঘাটা উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতা সামশীল আরেফিন টিটু, লালমনিরহাটের পাটগ্রামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বাবুল, হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন বাচ্চু জয় পেয়েছেন।
https://slotbet.online/