শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি বিনামূল্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত পাঠ্যবই বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্টদের সাময়িক বরখাস্তসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে চাকরিচ্যুতি এবং ফৌজদারি মামলার মুখোমুখিও হতে পারেন অভিযুক্তরা।
এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে নানা অনিয়ম চলে আসছে। নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের পর এবার সরকারি বই বিক্রির ঘটনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনামকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ ও বিক্রি গুরুতর অপরাধ। তাই এ ঘটনায় দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, “সরকারি বিনামূল্যের বই বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, দুর্নীতিবাজ মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হয়ে সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
https://slotbet.online/