বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং ‘সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট পরিবেশবিদ লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামকে সরকারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ। নির্বাচনের অভাবনীয় সাফল্যের পর এখন রামপাল ও মোংলার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে এই দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।
রামপাল ও মোংলা অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল এমন একজন প্রতিনিধি, যিনি মাটির কাছাকাছি থেকে এলাকার পরিবেশ ও মানুষের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবেন। ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সুন্দরবন রক্ষা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক মহলে তার গ্রহণযোগ্যতা তাকে এই পদের জন্য যোগ্যতম দাবিদার করে তুলেছে।
মোংলা স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন” “ডক্টর ফরিদুল ইসলাম শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি সুন্দরবনের অতন্দ্র প্রহরী। তিনি যদি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান, তবে সুন্দরবন সুরক্ষা যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি এই অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
মোংলা বন্দরের এক ব্যবসায়ী নেতা জানান “আমরা এমন একজন যোগ্য মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছি যিনি পরিবেশ বোঝেন। তাকে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিলে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা আমাদের এই উপকূলীয় জনপদ বিশ্বদরবারে নতুন করে পরিচিতি পাবে।
পরিবেশবিদদের মতে, ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং উপকূলীয় বনায়ন কর্মসূচিতে গতি আসবে। তার দীর্ঘদিনের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, বাগেরহাট-৩ আসনে ডক্টর ফরিদুল ইসলামের এই বিজয়কে মোংলা ও রামপালের সাধারণ মানুষ ‘পরিবেশ রক্ষার লড়াইয়ের জয়’ হিসেবে দেখছেন। এখন এলাকার আপামর জনসাধারণের একটাই চাওয়া—প্রধানমন্ত্রী যেন গণমানুষের এই দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামকে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেন