বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় উঠান থেকে উদ্যোক্তা বিষয়ক পথ নাটক অনুষ্ঠিত কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৪ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জন সাতক্ষীরা সুলতানপুর চাউল বাজার সমিতির সভাপতি বিপুল, সাধারণ সম্পাদক মামুন সাতক্ষীরা পৌর ৬নং ওয়ার্ডের কুখরালী এলাকায় মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি হার্ডওয়্যার দোকানের ভেতর থেকে একটি অজগর সাপ উদ্ধার সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রী কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও রাস্তা প্রশস্তের দাবিতে মানববন্ধন সাতক্ষীরায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন নিউইয়র্ক সিটি পুলিশে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেলেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান আব্দুল হালিম সাতক্ষীরায় ৩ শতাধিক দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বিতরণ
জরুরী ঘোষণা:
আপনার আশে-পাশের ঘটনা তুলে ধরতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন-০১৭১৬-৩০৮০৮১,অথবা ই-মেইল করুন- dailyajkersomoy@gmail.com ** আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচার বাড়াতে কম খরচে বিজ্ঞাপন দিতে যোগােযোগ করুন- ০১৯১৩-৬৮৬২০০ ,অথবা ই-মেইল করুন- dailyajkersomoy@gmail.com **

সাতক্ষীরায় কুলের চাষে এ বছরে ১,৩০০ কোটি টাকার বাজার সম্ভাবনা

স্টাফ রিপোটারঃ / ৩৫৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময়ঃ সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
sat-kul

সাতক্ষীরায় কুল (বরই) চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। লবণাক্ততা ও জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। সদর, তালা ও কলারোয়া উপজেলায় কুলের আবাদ তুলনামূলকভাবে বেশি।

এই এলাকায় মূলত বল সুন্দরী, আপেল কুল, থাই আপেল, বাউ কুল, তাইওয়ান কুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির কুল চাষ হচ্ছে। স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর চাহিদা যথেষ্ট, এবং বছরে প্রায় তেরশ’ কোটি টাকার কুল বিক্রি হয় জেলায়।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলার সাতটি উপজেলায় ৯৫০ হেক্টর জমিতে কুল চাষ হয়েছে। গত তিন বছরের ব্যবধানে আবাদ প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৯ সালে জেলায় কুলের আবাদ ছিল ৫৫০ হেক্টর। এ বছর উৎপাদন বেড়ে ৯৫০ হেক্টর হয়েছে।

সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় বছরে প্রায় ১৭ হাজার টন কুল উৎপাদন হয়। এর মধ্যে তালা ও কলারোয়া উপজেলায় সবথেকে বেশি কুল উৎপাদিত হয়। জেলার উৎপাদিত কুল স্থানীয় চাহিদা মেটিয়ে ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। দ্রুত লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছর কুলের আবাদ বাড়ছে।

তালা উপজেলার ভৈরবনগর এলাকার কুল চাষি পাঞ্জাব আলী জানান, গত ৮ বছর ধরে তিনি লীজের জমিতে কুল চাষ করছেন। তার সাত বিঘার বাগানে থাই আপেলকুল, বল সুন্দরীকুল, বিলাতি মিষ্টি, কাশমির আপেলকুল, দেশী আপেলকুল, নারকেলকুল ও টক বোম্বাইসহ ৫০০টির বেশি কুল গাছ আছে। তিনি বলেন, প্রতি মৌসুমে এই বাগান থেকে ১২–১৪ লাখ টাকার কুল বিক্রি হয়।

কলারোয়া উপজেলার কোমরপুর গ্রামের স্কুল শিক্ষক লাল্টু জানান, গত ৫ বছর ধরে তার নিজের জমিতে কুল চাষ করছেন। তিনি বলেন, মাত্র তিন থেকে সাড়ে তিন মাসের ফসল থেকে কুল উৎপাদন হওয়ায় ধান, সরিষা বা পাটের তুলনায় লাভ অনেক বেশি এবং ঝুঁকিও কম।

খুলনার পাইকারী কুল ব্যবসায়ী ও আড়তদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মিতা বাণিজ্য ভান্ডারের মালিক রাসেল হোসেন বলেন, সাতক্ষীরার কুলের চাহিদা অনেক বেশি। খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী, মাদারীপুর, বরিশাল ও পিরোজপুর অঞ্চলেও তারা কুল সরবরাহ করে। প্রতি মৌসুমে ৭–৮ হাজার মণ কুল তার প্রতিষ্ঠান ক্রয় করে, যেখানে প্রতি মণ আপেলকুল ও বিলাতি মিষ্টিকুলের পাইকারী দাম ৩,৫০০–৩,৬০০ টাকা।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোঃ জামাল উদ্দিন জানান, স্বল্প সময়ে বেশি লাভজনক হওয়ায় কুল চাষ জেলায় দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। মৎস্য ঘেরের বাঁধেও অনেক কৃষক কুল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। জেলায় প্রতি বছর ১৭–১৮ হাজার টন কুল উৎপাদন হচ্ছে, যার বাজার মূল্য ১,৩০০ কোটি টাকার বেশি।

 

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ পড়ুন

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
prolancer
add
lake view
Theme Created By ThemesDealer.Com