জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নে হারুয়াবাড়ী মধ্য পাড়া চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে একটি পরিবারের বিরুদ্ধে। এতে ২০টি পরিবারের যাতায়াত সহ হাজারো পথচারীর কষ্ট।
স্থানীয় ও মামলা সুত্রে জানা যায়, এক সময়ের ব্যস্ততম রাস্তা ছিলো এটি, এখান দিয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মক্তবের ছাত্র/ছাত্রী এবং গরু মহিষ, ছাগল ভেড়া, মালামাল পরিবহন সহ ফসলাদী নেওয়া আনার জন্য চলতো বিভিন্ন ধরণের গাড়ী। কিন্তু কিছু দিন যাবৎ রাস্তা বন্ধ হওয়ায় এসব চলছে না, খুবই কষ্টে দিন পার করছে ঐ পরিবার গুলো।
বিকল্প রাস্তা না থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ছাত্র/ছাত্রীসহ ২০ পরিবারকে।
ভুক্তভোগী মাওলানা খলিলুর রহমান বলেন – এখানে আমরা প্রায় ২০টি পরিবার বসবাস করি ৩০ বছর যাবৎ, এযাবৎ রাস্তা ছিলো আমরা যাতায়াত করেছি গাড়ি ঘোড়া যানবাহন চলাচল করেছে, হঠাৎ ৫ মাস যাবৎ বন্ধ করে ঘর তুলে বেড়া দিয়েছে পার্শ্বের বাড়ীর লোকজন। এজন্য আমরা আবদ্ধ অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছি।
এ বিষয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে একটি মামলা করা হয়েছে, মামলা নং সিআর ৩৩৯ যা তদন্তাধীন রয়েছে। রাস্তাটি খুলে দেওয়ার জন্য উর্ধতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী শাহ আলম বলেন, আমি অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি কিন্তু রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় রাস্তায় গাড়ি নিয়ে চালাতে পারি না কি করে খামু? তাই দ্রুত রাস্তাটা খোলাসা করে দেওয়া অনুরোধ করছি। গ্রামবাসী আবুল কাশেম বলেন- আমরা ছোট বেলা থেকে দেখে এসেছি এখান দিয়ে রাস্তা, এ রাস্তা দিয়ে মানুষ জন গাড়ি ঘোড়া, যানবাহন চলাচল করতো, কিন্তু এখন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার কারণে আর কিছু চলতে পারে না, পরিবার গুলো খুবই অসুবিধায় আছে, দ্রুত রাস্তার ব্যবস্থা করা জরুরি।
ভুক্তভোগী শাহীন বলেন, রাস্তা বন্ধ থাকায় আমরা ১৫ /২০টা পরিবার যাতায়াত করতে অসুবিধার মধ্যে আছি, প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। এছাড়াও রাস্তা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী আরো ১০ থেকে ১২ জন, রাস্তা বন্ধ হওয়ায় খুবই কষ্টে আছেন তারা।
তবে, অভিযুক্ত কাদের ব্যাপারীর পরিবারের কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমাদের তেমন জমি নেই আমার অসহায় বোন ভাতিজিকে ঘর তুলে দিয়েছি, রাস্তা দিলে এই অসহায় গুলো কোথায় যাবে? ঘর ভেঙ্গে রাস্তা দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না।