সাতক্ষীরা জেলাধীন দেবহাটা উপজেলার ০৪ নং নওয়াপাড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত জেরে হাদিপুর বায়তুন নূর জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন আব্দুস সামাদ (৬৫) কে কুপিয়ে জখম করে একই গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের পুত্র আহসান কবির (৩৭) ও তার অনুসারীরা এলোপাতাড়ি ভাবে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছেন।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, আহত মোয়াজ্জিন আব্দুস সামাদ মৃত সাজ্জাদ আলী মোড়লের পুত্র পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে শান্তিপূর্ণ ভাবে দীর্ঘদিন যাবত ভোগদখলে থাকাকালীন কিছুদিন আগে একই গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের পূত্র আহসান কবির বাদী হয়ে তার দুই চাচার নামে ১১২৩/২৫ নং একটি ১৪৫ মামলাদায়ের করে। উক্ত মামলার ৩০/০৯/২০২৫ ইং তারিখে ধার্য্যদিনে বিবাদী পক্ষ কেউই
কোর্টে হাজির হয়নি। এক পর্যায়ে আহসান কবির চাচা আব্দুস সামাদের উপর চরম ভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।
ফলে আহসান কবির চাচা সামাদকে আক্রমন করার জন্য সুযোগ খুজতে থাকে। জমি দখল নিয়ে সামাদের ভাই আবদুল খালেক থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে মোয়াজ্জেন সামাদের বিরুদ্ধে। থানা কর্তৃপক্ষ মৌখিক ভাবে উভয় পক্ষকে থানায় হাজির হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। তখন আব্দুস সামাদ থানায় হাজির হয় কিন্তু বাদী আব্দুল খালেক হাজির না হয়ে থানায় ছেলেকে পাঠায়। তারসাথে আহসান কবির আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে কিছু করার জন্য থানায় হাজির হয়। থানা কর্তৃপক্ষ উভয় পক্ষের কথা শোনাবোঝার পর নালিশি জমিতে কোন পক্ষ কোন কিছু না করার নির্দেশ প্রদান করেন।
তার পরের দিন সকাল ৭.০০ টার সময় আব্দুস সামাদ প্রতিদিনের ন্যায় ফজরের নামাজ পড়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় দেখতে পাই বিরোধপূর্ণ জমিতে আহসান কবির ও তার শশুর লুৎফর মিস্ত্রী এবং আহসান খলিল গং প্রাচীর নির্মাণ কাজ করতে থাকে তখন আব্দুস সামাদ তাদের নিষেধ করে। সেই সময় আহসান কবির নিজের কাছে লুকানো ধারালো অস্ত্র দা দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মোয়াজ্জেন আব্দুস সামাদকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং বলে জমি তোদের খেতে দেবো না। আব্দুস সামাদকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি ভাবে কোপ দিতে থাকে। তার আত্মচিৎকারে এলাকার লোকজন এসে তাকে রক্তাক্ত ও জখম অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
https://slotbet.online/