অপরদিকে,জেলা শহর মাইজদীর বিভিন্ন সড়ক পানিতে ঢুবে গেছে। পাড়া-মহল্লায় বাসিন্দারা পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। নোয়াখালী পৌর শহরের স্টেডিয়াম পাড়া, ডিসি সড়ক, জেলখানা সড়ক এলাকা, হরিনারায়ণপুর, লক্ষ্মীনারায়ণপুর, হাউজিংসহ বেশিরভাগ এলাকার সড়কগুলোতে হাঁটুর কাছাকাছি পানি ওঠে গেছে। এছাড়া এসব এলাকার নিচতলা ও কাঁচা ঘরগুলোতে পানি ডুকে গেছে। ফলে পানিবন্ধী হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ। চলতি বর্ষায় শহরের বেশিরভাগ সড়কে খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় সড়কগুলো মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
জানা যায়, ৯ জুলাই জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থা কমিটির সভা থেকে আগামী ১০ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন। চলমান দুর্যোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যালয়গুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা হবে।
নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.হালিম সালেহী বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে জেলায় পানি বেড়েছে। টানা বৃষ্টিই পানি বাড়ার মূল কারণ। বৃষ্টি কমে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। বুধবার রাতের বৃষ্টির ওপর পরিস্থিতি নির্ভর করবে।
নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, জলাবদ্ধতা ও বন্যা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা মাঠে কাজ করছে। এদিকে বিকাল থেকে বিভিন্ন উপজেলা প্রশাসন মাঠে খাল,বিল, নালাতে ভেজাল অপসারণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে যাচ্ছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
https://slotbet.online/