শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় প্রাণ সায়ের খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযানের শুভ উদ্বোধন নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করলে এসএসসিতে অংশ নিতে পারবে না— ডি.বি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান পঞ্চগড়ের বোদায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস, চালক-হেলপারসহ আহত ১৯ দীর্ঘ ১৭ বছর পর জেলা মহিলা আ’লীগ নেত্রী রুবির জবর দখলে থাকা পৈতৃক জমি ফিরে পেলেন প্রবাসী শরিফুল ও তাঁর পরিবার সাতক্ষীরায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ের বোদায় মাইক্রো বাসের ধাক্কায় এক নারী মৃত্যু সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে ব্র্যাকের যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ‘রান এগেইনস্ট ফ্যাসিজম’ ম্যারাথন অনুষ্ঠিত গভীর রাতে ঘর ছাড়েন গৃহবধূ, স্বামীর থানায় লিখিত অভিযোগ

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল চুরির হিড়িক

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ / ২১৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময়ঃ সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ২:৪৬ অপরাহ্ন
rampal

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের যন্ত্রাংশ চুরি র হিড়িক পড়েছে। আর এইসব যন্ত্রংশের অধিকাংশ ক্রেতা হল ফয়লা বাজারের কতিপয় ভাঙ্গাড়ী ব্যবসায়ী সহ লকপুর বাজার ও পূর্ব রূপসার কতিপয় ব্যবসায়ী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ, এ পর্যন্ত ওই প্লান্টের ১০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের যন্ত্রাংশ পাচার হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করায় জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

সূত্র জানায়, বিগত সরকারের আমলে স্থানীয়দের প্রচন্ড বাধা উপেক্ষা করে বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায় ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিপি) ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রকল্প হাতে নেয়। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পটি নির্মিত হয় সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার উত্তরে। মংলা পশুর নদী তীর ঘেঁষে এই প্রকল্পটি ১৮৩৪ একর জমি সীমানা চিহ্নিত করা হয়।

২০১০ সালে জমি অধিগ্রহণ করে বালুভরাটের মাধ্যমে নির্মাণ কাজটি শুরু হয়েছিলো। কালের বিবর্তনে এ মেগা প্রকল্পটি হারিয়ে যেতে বসেছে। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতন হওয়ার পর এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে থেকে মালামাল চুরির হিড়িক পড়ে।

প্রতিদিন রাত ও দিনের বেলায় এই পাওয়ার প্লান্টের ৪ ইঞ্চির রড, নাটবোল্ট, অ্যাঙ্গেল, তামার তার সহ নানা ধরনের যন্ত্রপাতির অংশবিশেষ অবাধে পাচার হচ্ছে। আর এই অবৈধ যন্ত্রাংশ ও মালামালের প্রধান ক্রেতা হল ফয়লা বাজারের ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী ইউসুফ আলী। লকপুর আমতলা পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন বাজারের কয়েকটি ভঙ্গারির দোকান। সর্বশেষ এই ভান্ডারীর মালামাল ক্রয়ের অন্যতম প্রধান ক্রেতা হল রূপসা থানাধীন কুদির গাছতলার বড় ব্যবসায়ী সুমন ও পূর্ব রুপসার পুরাতন রেল স্টেশনের ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী মাহবুবের ছেলে দিনার।

প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন পিকআপ ভ্যান ও ইঞ্জিন চালিত ভ্যানের মাধ্যমে অবাধে এই পাওয়ার প্লান্ট এর মাল বিকি কিনি হচ্ছে। এই মালামাল পাচারের অন্যতম সহযোগী হল রূপসা থানাধীন জহিরের বটতলা এলাকার দিনার গং। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে দিয়ে অবাধে এই মালামাল পাচার হলেও সামান্য কিছু উৎকোচের বিনিময়ে এ সব মালামাল পাচারে তারা সাহায্য করে আসছে। মাঝেমধ্যে স্থানীয় লোকজনের হাতে দু একটি মালের চালান আটক করলেও পরে তারা অর্থের বিনিময়ে এই মালামাল ছাড়িয়ে নিয়ে যায় এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

এই ভাঙ্গারি মালামাল এর পাশাপাশি এই ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীরা অবাধে কেবল তারের ব্যবসা চালিয়ে আসছে। লক্ষ লক্ষ টাকা মূল্যের এসব কেবল তারের মধ্য হইতে তামা বের করে তা বিভিন্ন স্থানে চালান করা হচ্ছে। সরকারি সম্পদ রক্ষার্থে বিষয়টির প্রতি উদ্বোধন প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে স্থানীয় পর্যবেক্ষক মহলের।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ পড়ুন
add

আর্কাইভ

prolancer
add
lake view
Theme Created By ThemesDealer.Com