• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সংবাদ শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ফ্যাসিবাদের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারলে পুরষ্কার- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জামায়াতের জনশক্তিকে চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করতে হবে- গোলাম পরওয়ার পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত পঞ্চগড়ে পরকীয়ার বলি স্বামী, হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপজেলা জলবায়ু শিশু ফোরামের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ের বোদায় ট্রাক-অটো মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩ পঞ্চগড় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিজের অপকর্ম স্বীকার করলেন সাতক্ষীরা মেডিকেলের সেই ডাক্তার নায়েব তারক চন্দ্র মন্ডলের ‘ক্ষমতার উৎস’ কোথায়—দুর্নীতির অভিযোগের পরও ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন, নতুন আলোচনায় লাল পাসপোর্ট

নিজের অপকর্ম স্বীকার করলেন সাতক্ষীরা মেডিকেলের সেই ডাক্তার

স্টাফ রিপোটারঃ / ২০১ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময়ঃ রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
asadujjaman

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজনকে অশালীন গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধরের উদ্দেশ্যে তেড়ে যাওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় অবশেষে নিজেদের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্ত সহকারী রেজিস্ট্রার (সার্জারী) ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান।

গত ৯ আগস্ট হাসপাতালের ৪র্থ তলায় সার্জারী ওয়ার্ডের স্টার-ফোর বেডে চিকিৎসাধীন কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা গ্রামের কাজী আবু বকরের জামাতা শেখ আব্দুর রহমানের ওপর এই মারমুখী ও সন্ত্রাসী সুলভ আচরণ চালান উক্ত চিকিৎসক।​ ঘটনার পর ভুক্তভোগী শেখ আব্দুর রহমান হাসপাতাল পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ আগস্ট ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে হাসপাতাল পরিচালকের স্বাক্ষরিত স্মারক নং: (সামেকহা/সাত/শা-১/২০২৬/২০২)-এর মাধ্যমে এক তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।​

তদন্ত কমিটির সভাপতি ও উপ-পরিচালক ডাঃ এস.এম মনিরুজ্জামান ভুক্তভোগী শেখ আব্দুর রহমানকে ৩০ আগস্ট ১২:০০ ঘটিকায় প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষীদের নিয়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়ে চিঠি প্রদান করেন। কিন্তু নির্ধারিত তদন্ত প্রক্রিয়ার আগেই অভিযুক্ত সহকারী রেজিস্ট্রার ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান নিজের অপকর্ম ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের কথা স্বীকার করায় থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়েছে।​

পূর্বে ডাঃ আসাদুজ্জামান নিজের অপরাধ ঢাকতে ঘটনাটিকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করলেও, তদন্তের মুখামুখি হওয়ার আগেই তাঁর স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে যে সরকারি সেবাকেন্দ্রে রোগীদের ও তাঁদের স্বজনদের সাথে কী ধরনের বর্বর আচরণ করা হচ্ছিল।​

সাধারণ মানুষ যেখানে জীবন রক্ষায় ও সেবার আসায় সরকারি হাসপাতালে ছোটেন, সেখানে একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের এমন সন্ত্রাসী আচরণ ও পরবর্তীতে তা চেপে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে চরম প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। সচেতন নাগরিক সমাজ ও ভুক্তভোগীর পরিবার অবিলম্বে উক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কেবল লোকদেখানো তদন্ত নয়, বরং দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক কঠোর প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থার জোর দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার সার্বিক বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ শেখ কুদরত-ই খোদা অত্যন্ত শক্ত ও নীতিগত অবস্থান ব্যক্ত করে বলেন, ​রোগীদের সুষ্ঠু ও উন্নত সেবাদান এবং তাঁদের স্বজনদের সাথে সম্মানজনক ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার।

সরকারি চিকিৎসা সেবাকেন্দ্রে যেকোনো প্রকার অপেশাদার আচরণ বা শৃঙ্খলাভঙ্গ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ও সেবার মান সমুন্নত রাখতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। তদন্ত প্রক্রিয়া ও স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক দৃষ্টান্তমূলক প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ পড়ুন
add
prolancer
add
lake view
https://slotbet.online/