এই তথ্যের সূত্র ধরে ব্যাপক খোঁজ চালালে জেসি রুবেলের দূর্নীতির সত্যতা পাওয়া যায়। বেনাপোলের গাজীপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে মাসুদ রানা ও জেসি রুবেল আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান সাফা ইমপেক্স এর সাথে এক তৃতীয়াংশ চুক্তিতে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ভারত হতে মিথ্যা ঘোষণায় আনা শাড়ী থ্রীপিচ ও কসমেটিক্স এর চালানটি বেনাপোল স্থলবন্দরের পণ্যগারে ঢোকায়। রানা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মেসার্স হুদা ইন্টারন্যাশনালের কর্মচারী ও এ্যাসেসমেন্ট শাখায় কর্মরত রয়েছে।
একাজে রানার অপর সহযোগী ছিলো বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩৭ নং শেড ইনচার্জ নুর আমিন। এর আগে গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ইং তারিখে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ভারতীয় ট্রাক নং- ডাব্লু বি-৩৩ডি-১০২৭,ডাব্লুবি-০২সি৫৯২১ ও ডাব্লু বি-১১সি-৩১৩৩ ট্রাক যোগে বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা ১৩ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য চালান আটক করে।
যাহার মেনিফেস্ট নং-৬০১-২০২৫- ০০৩০০৬১২৪৭-০৯। পণ্য চালানটি পরিক্ষণ কালে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ঘোষণা বর্হিভূত পণ্য ১০ লাখ ৮০ হাজার পিস জিলেট ব্লেড ও তিন প্যাকেজ অন্যান্য পণ্য জব্দ করেন।
ঐ পণ্য চালানটির আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আশিকুল ইসলাম এন্ড সন্স থাকলেও আমদানিকারক প্রতিনিধি ছিলো এই মেসার্স হুদা ইন্টার ন্যাশনাল। কাস্টমস এ্যাক্ট অনুযায়ী সরকারী রাজস্ব ফাঁকি চেষ্ঠায় মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি প্রমানিত হলে সি এন্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স বাতিলসহ জেল জরিমানার বিধান থাকলেও পূর্ব সখ্যতার সূত্র ধরে রানার তদবিরে কোটি টাকা ঘুস নিয়ে হুদা ইন্টার ন্যাশনালের লাইসেন্স বাচাতে তৎকালীন কমিশনারকে সুপারিশ করেন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ঘুসখোর কর্মকর্তা জেসি রুবেল।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত কাস্টমস কর্মকর্তা রুবেলের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা যাইনী।
বাংলাদেশ দূর্নীতি কমিশন দুদকের অনুসন্ধানে জেসি রুবলের জ্ঞাত আয় বর্হিভূত অর্থ সম্পদের হিসাব নিলে বের হবে সরকারী ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুস বানিজ্যে মত্ত হয়ে অনিয়ম করে সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার ফিরিস্তি।
স্থানীয় সচেতন মহল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআরসহ আইনপ্রয়োগকারী বিভিন্ন সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষন করে সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে বেনাপোল স্থলবন্দরে আটক হওয়া ৬ কোটি টাকার পণ্য চালাটিতে রাজস্ব ফাঁকি চেষ্ঠায় জড়িতদের বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন। সাথে সাথে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের বহু বিতর্কিত যুগ্ন কমিশনার রুবেলের বিরুদ্ধে আনিত অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন।