বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত ইবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে সে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে ট্যালেন্টপুলে (মেধাবৃত্তি) এই গৌরবজনক সাফল্য অর্জন করে। তাইবা আক্তার মোংলার চিলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জয়মনি গ্ৰামের মিঠু মৃধার মেয়ে। তার এই অসামান্য সাফল্যে আনন্দিত তার পরিবার, শিক্ষক এবং এলাকাবাসী। জয়মনিরঘোল দারুসসুন্নাহ ফোরকানিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানার প্রতিষ্ঠান থেকে এবতেদায়ী বিভাগে বাগেরহাটের শিক্ষা অঙ্গনে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চলতি বছরের ইবতেদায়ী ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থী তাইবা আক্তার উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে এবং ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেছে।শিক্ষা-দীক্ষা, নৈতিকতা ও আদর্শিক গঠনে সুপরিচিত এই প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের সুপরিকল্পিত শিক্ষাব্যবস্থা, কঠোর পরিশ্রম এবং নিবেদিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। এই গৌরবময় অর্জন প্রতিষ্ঠানের সুনামকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং অভিভাবক মহলে নতুন করে আস্থা সৃষ্টির কাজ করেছে।
মাদ্রাসার প্রধান সুপার মোঃ আল-আমিনের প্রজ্ঞাবান, মানবিক এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের অন্তর্ভুক্ত, একঝাঁক উদ্যমী শিক্ষক-শিক্ষিকা নিরলসভাবে শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশে কাজ করে চলেছেন। তাঁদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত পাঠদান, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং নৈতিক শিক্ষার সমন্বিত প্রচেষ্টা আজকের এই গৌরবোজ্জ্বল ফলাফলের মূল ভিত্তি। শিক্ষকদের একাগ্র সাধনা ও আন্তরিকতা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছে।উপজেলা পর্যায়ে ১ম স্থান অর্জনকারী তাইবা আক্তারের সাফল্যের পেছনে প্রতিষ্ঠানটির সম্মানিত শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিক্ষার্থীর সুপ্ত প্রতিভাকে খুঁজে বের করা, বিকাশ করা এবং সুশৃঙ্খল পরিচর্যান্যে তাঁদের নিবেদিত ভূমিকা কেবল একটি ফলাফল নয়, বরং আদর্শ শিক্ষা পরিবেশের একটি বাস্তব প্রতিফলন। উল্লেখযোগ্য হলো। এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তাইবা আক্তার তার মেধা ও অধ্যবসায়কে প্রমাণ করে। এই অর্জন নিঃসন্দেহে দেখায় যে,জয়মনিরঘোল দারুসসুন্নাহ এবতেদায়ী মাদ্রাসা শুধুমাত্র পাঠ্যশিক্ষা নয়, বরং বহুমাত্রিক প্রতিভা বিকাশের এক উর্বর ক্ষেত্র হিসেবে স্বকীয়তা বজায় রেখেছে।