তারা এই মাংস হরিণের মাংস বলে চালিয়ে দিয়ে বিক্রি করেন। তারা আরও বলেন বুরবুড়িয়া এলাকায় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে শুকরটিসহ পাচারকারীদের আটকে ফেলার চেষ্টা করার সময় তারা অন্য রাস্তা দিয়ে মটরগাড়ি যোগে চলে যান। তবে ধাওয়া খেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও জবাই করা শুকরটি বস্তাবন্দী অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের বৈদ্যুমারি টহল ফাঁড়ি এবং কাটাখালি টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইফতেখার রাজিবের নেতৃত্বে বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
বনরক্ষীরা ঘটনাস্থল থেকে জবাই করা শুকরটি উদ্ধার করেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পাচারকৃত ও মৃত বন্যপ্রাণী লোকালয়ে রাখা বা ব্যবহারের সুযোগ না থাকায়, রাতেই বন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শুকরটিকে নিরাপদ স্থানে কেরাসিন তেল দিয়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
এই বিষয় জানতে চাইলে ইফতেখার রাজিব বলেন”মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পেলে চাঁদপাই এসিএফ ও স্টেশন কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে ঘটনা স্থল থেকে একটি গলাকাটা শুকর বস্তা বন্দি অবস্থায় আমরা উদ্ধার করি পরে শুকুরটিকে ডিসপোজ করার জন্য যথাযত স্থানে গিয়ে ডিসপোজ করি আপাতত কোন অপরাধীকে অনুসন্ধান করতে পারিনি।
কিন্তু পরবর্তীতে এই ঘটনায় জড়িত কোন অপরাধীকে পাওয়া মাত্র তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা তাদের বিরুদ্ধে গ্রহন করা হবে।সুন্দরবন ও সুন্দরবনের বন্যপ্রানী রক্ষায় বন বিভাগের এই সকল অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।