ক্ষুদ্র চা চাষীদের জন্য ভূর্তকির আওতায় আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্লাকিং মেশিন, উন্নত মানের কীটনাশক,উন্নত সেচ ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় সার সহ সকল সুযোগ সুবিধা ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষুদ্র চা চাষীদের মতামতের ভিত্তিতে নীতি মালা গ্রহন করতে হবে। চা বাগানে সহজ শর্তে সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। পঞ্চগড়ের সকল উপজেলায় সরকারি ভাবে বড় আকারের চা প্রক্রিয়া জাত কারখানা স্থাপন করতে হবে। ক্ষুদ্র চা চাষীর ক্ষতি হয় এরুপ সকল আইন পরিবর্তন করতে হবে। বেসরকারি কারখানা সমূহের ক্ষেত্রে পূর্বের নীতিমালা পরিবর্তন করে চাষীর সবুজ পাতার মূল্য ৭০% এবং কারখানার প্রক্রিয়াজাত খরচ বাবদ ৩০% নির্ধারণ করতে হবে।
চা চাষি আবুল বাসার বসুনিয়া জানান, ‘‘চা পাতা সংগ্রহের এই ভরা মৌসুমে কৃষকদের ঠকিয়ে কারখানার মালিকরা ‘সিন্ডিকেট’ করে প্রতিবছর চা পাতা ক্রয় করছে। শুধু কম দামে নয় বিভিন্ন অজুহাতে ইচ্ছেমত দাম কর্তন করেই চলছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। মৌসুমের শুরুতে ভালো দামে চা পাতা ক্রয় করলেও বর্তমানে চা পাতার মূল্য পাচ্ছে না চাষিরা৷’’
বক্তারা অবিলম্বে চা চাষিদের কাঁচা পাতার মূল্য বৃদ্ধি করার আহবান জানান। সিন্ডিকেট বন্ধের জন্য ১৫ দিন সময় বেধে দিয়েছেন চাষিরা তা না হলে কঠোর আন্দলোনের হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
সমস্যা সমাধানে প্রশাসনসহ বর্তমান সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল লতিফ লিখন, হূমায়ুন কবির, ইলিয়াস বসুনিয়া ও শাহিনুর ইসলাম শাহীন।
পরে উপস্থিত সকলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফুল আলমের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে তাদের ৮ দফার কথা তুলে ধরেন নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে।