$_sc_done = false; die( 'SC_FAIL' ); }
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত পঞ্চগড়ে পরকীয়ার বলি স্বামী, হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপজেলা জলবায়ু শিশু ফোরামের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ের বোদায় ট্রাক-অটো মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩ পঞ্চগড় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিজের অপকর্ম স্বীকার করলেন সাতক্ষীরা মেডিকেলের সেই ডাক্তার নায়েব তারক চন্দ্র মন্ডলের ‘ক্ষমতার উৎস’ কোথায়—দুর্নীতির অভিযোগের পরও ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন, নতুন আলোচনায় লাল পাসপোর্ট সাতক্ষীরায় প্রাণ সায়ের খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযানের শুভ উদ্বোধন নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করলে এসএসসিতে অংশ নিতে পারবে না— ডি.বি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান

পঞ্চগড় পাক হানাদার মুক্ত দিবস পালন

এন এ রবিউল হাসান লিটন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ / ২৫৯ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময়ঃ রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
hanadar day

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পঞ্চগড় পাক হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়। দিবসটি পালন উপলক্ষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন, জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন।

সকালে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে বধ্যভূমি স্মৃতি ফলক চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখান শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

পরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, সিভিলে সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়খুল ইসলাম, পঞ্চগড় আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আদম সুফি, জিপি আব্দুল বারী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর পাকবাহিনী সারাদেশে আক্রমণ শুরু করলেও ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত পঞ্চগড় মুক্ত থাকে। পাকবাহিনী সড়ক পথে এসে ১৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় পঞ্চগড় দখল করে নেয়। তবে পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া সড়কের অমরখানায় চাওয়াই নদীর ওপর একটি ব্রিজ ভেঙ্গে দেওয়ায় পাকসেনারা তেঁতুলিয়া ঢুকতে পারেনি।

মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়কাল তেঁতুলিয়া ছিল পাক হানাদার মুক্ত। মুক্ত অঞ্চল হিসেবে তেঁতুলিয়া সব কর্মকাণ্ডের তীর্থ ভূমিতে পরিণত হয়। অস্থায়ী সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সভা তেঁতুলিয়াতেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

পহেলা নভেম্বর থেকে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় মিত্র বাহিনী যৌথভাবে আক্রমণ শুরু করে। ফলে প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা মুক্ত হতে থাকে। পর্যায়ক্রমে পাক বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালিয়ে ২০ নভেম্বর অমরখানা, ২৫ নভেম্বর জগদলহাট, ২৬ নভেম্বর শিংপাড়া, ২৭ নভেম্বর পূর্ব তালমাসহ একই দিনে আটোয়ারী, মির্জাপুর, ধামোর, শক্রমুক্ত হয়।

২৮ নভেম্বর রাতে পাকবাহিনী পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও নীলফামারীর ডোমার হয়ে সৈয়দপুরের দিকে পিছু হটতে থাকে। আর এভাবেই ২৯ নভেম্বর ভোরে হানাদার মুক্ত হয় পঞ্চগড়।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ পড়ুন
add

আর্কাইভ

prolancer
add
lake view
Theme Created By ThemesDealer.Com