বিভাগের রেঞ্জ ডিআইজি জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা, হত্যা, হত্যাচেষ্টাসহ নাশকতা, পরিকল্পনা এবং অর্থযোগান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এরা সবাই আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। তাদের নামে মামলা রয়েছে।
শনিবার মধ্যরাত ১২টা থেকে একযোগে রংপুর মহানগরসহ রেঞ্জের ৮ জেলায় অপারেশন ডেভিল হান্ট শুরু করে যৌথ বাহিনী।
অপরদিকে ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানে খাগড়াছড়ির গুইমারায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে গুইমারার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে গুইমারা থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- গুইমারার বড়পিলাক গ্রামের বাবুল মিজির ছেলে সোহাগ মিয়া, অহিদ মিয়ার ছেলে মো. সেলিম, মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আব্দুর রহিম ও আব্বাস আলীর ছেলে মো. আজিজুল।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে সোহাগ মিয়া গুইমারার হাফছড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি এবং অন্যরা নিষিদ্ধ সক্রিয় কর্মী। তাদের বিরুদ্ধে গুইমারা থানায় মামলা রয়েছে।
এদিকে অপারেশন ডেভিল হান্টের প্রথম দিনে নোয়াখালী হাতিয়ায় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- হাতিয়া উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আজাদ (৬৪), হাতিয়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বেলাল উদ্দিনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৬), ৩নং ওয়ার্ডের মৃত আব্দুস শহিদের ছেলে আবুল কালাম বিটু (৪৪), নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের আদর্শগ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে আজিম উদ্দিন (৩১), তমরুদ্দি ইউনিয়নের মহিন উদ্দিনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম প্রকাশ রাকছান (২৪), হাজী আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে আবদুল মাজেদ পলাশ (৪৩) ও আব্দুল জাহের (৩৯)।
হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা ঢাকা পোস্টকে বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ ঘোষণার পর হাতিয়া থানায় এটি প্রথম অভিযান ছিল। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একইসঙ্গে নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও পুলিশের যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।