$_sc_done = false; die( 'SC_FAIL' ); }
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত পঞ্চগড়ে পরকীয়ার বলি স্বামী, হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপজেলা জলবায়ু শিশু ফোরামের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ের বোদায় ট্রাক-অটো মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩ পঞ্চগড় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিজের অপকর্ম স্বীকার করলেন সাতক্ষীরা মেডিকেলের সেই ডাক্তার নায়েব তারক চন্দ্র মন্ডলের ‘ক্ষমতার উৎস’ কোথায়—দুর্নীতির অভিযোগের পরও ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন, নতুন আলোচনায় লাল পাসপোর্ট সাতক্ষীরায় প্রাণ সায়ের খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযানের শুভ উদ্বোধন নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করলে এসএসসিতে অংশ নিতে পারবে না— ডি.বি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান

দেওয়ানগঞ্জে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

মোঃ মোস্তাইন বিল্লাহঃ / ২৪৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময়ঃ মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪, ৭:৩০ অপরাহ্ন
ovijog

জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলাধীন মাদারেরচর আব্দুল গণি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

৮ (অক্টোবর) মঙ্গলবার জামালপুর জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম এবং দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স বরাবর এ লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন চাকুরিচ্যুত সহকারি মৌলভী মো. নাদের হোসেন।

দাখিলকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উক্ত মাদ্রাসার সুপার মো. হাসমত আলী ভুক্তভোগী মো. নাদের হোসেনকে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে এনটিআরসি কর্তৃক শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এনে দেন। উক্ত সনদ দিয়ে মো. নাদের হোসেনকে সহকারী মৌলভী পদে পদায়ন এবং এমপিওভুক্তি করনের সময় তার কাছ থেকে ৮ লক্ষ টাকা উৎকোচ নেয় সুপার মো. হাসমত আলী। যেহেতু মাদ্রাসা সুপার মো. হাসমত আলী জানতো সহকারী মৌলভী মো. নাদের হোসেনের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ টি ভুয়া। এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে নিবন্ধন সনদ ভুয়া প্রমাণিত করে চাকুরিচ্যুত করেন সহকারী মৌলভী মো. নাদের হোসেনে।

মো. নাদের হোসেন তার দেওয়া টাকা ফেরত চাইতে গেলে ভুয়া নিবন্ধন সনদের মামলার ভয় দেখান সুপার।অদ্যাবধি উক্ত টাকা ফেরত পাননি মো. নাদের হোসেন। এরপর সুপার কোন পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা ছাড়ায় মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে ওই পদের বিপরীতে মোছা: শারমিন আক্তার নামের একজনকে নিয়োগ প্রদান করান।

অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন সহকারী মৌলভী, দুইজন জুনিয়র মৌলভী, একজন অফিস সহকারী ও একজন ল্যাব সহকারি পদের জন্য কোনরকম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা ছাড়াযই তাদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তাদের নিয়োগ প্রদান করেন সুপার হাসমত আলী। কৃষি শিক্ষাসহ বেশ কয়েকটি পদে পত্রিকায় প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ভুয়া হওয়ায় উক্ত পদে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নানা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন বলে জানা যায়। বিগত ৮ বছর ধরে শিক্ষকদের টিউশন ফি না দিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সুপারের এসব অনিয়ম ও দূর্নীতিতে সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেনের সম্পৃক্ততা আছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে। আলমগীর হোসেনের যোগসাজসে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা সুপারের নিজের নামের শতাধিক মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে পকেট ভারী করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, বিগত আওয়ামীলীগের সাবেক সাংসদ মো. আবুল কালাম আজাদের দোহাই দিয়ে সুপার এমন অনিয়ম ও দূর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। তিনি মাদ্রাসায় নিয়মিত আসতেন না মাসে একদিন এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে যেতেন। মাদ্রাসাটিকে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় বানিয়ে ছিলেন সুপার মো. হাসমত। শুধু দলীয় কার্যালয় নয় তিনি এটাকে টাকার মেশিনে পরিণত করেছিলেন বিভিন্ন রকম নিয়োগ বাণিজ্য করে। মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা তার এ সকল অন্যায়- অপকর্মের বিরুদ্ধে কোন কথা বলার সাহস পেতেন না। আওয়ামী লীগের দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে তাদের কে সবসময় কোণঠাসা করে রাখতেন তিনি। অভিযোগ আমলে নিয়ে সুপারের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্ত করলে সততা বেরিয়ে আসবে বলে আশাবাদী ভুক্তভোগী মো. নাদের হোসেন।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ পড়ুন
add

আর্কাইভ

prolancer
add
lake view
Theme Created By ThemesDealer.Com