$_sc_done = false; die( 'SC_FAIL' ); }
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত পঞ্চগড়ে পরকীয়ার বলি স্বামী, হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপজেলা জলবায়ু শিশু ফোরামের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ের বোদায় ট্রাক-অটো মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩ পঞ্চগড় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিজের অপকর্ম স্বীকার করলেন সাতক্ষীরা মেডিকেলের সেই ডাক্তার নায়েব তারক চন্দ্র মন্ডলের ‘ক্ষমতার উৎস’ কোথায়—দুর্নীতির অভিযোগের পরও ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন, নতুন আলোচনায় লাল পাসপোর্ট সাতক্ষীরায় প্রাণ সায়ের খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযানের শুভ উদ্বোধন নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করলে এসএসসিতে অংশ নিতে পারবে না— ডি.বি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান

উৎকণ্ঠায় উপকূলের মানুষ, ৫১ কিলোমিটার বাঁধ জরাজীর্ণ

স্টাফ রিপোর্টার / ২৭৭ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
vare badh

সামনেই ঘূর্ণিঝড় মৌসুম। এ কারণে ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ নিয়ে উৎকণ্ঠায় পড়েছেন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট উপকূলের শত শত মানুষ। তিন জেলার ২ হাজার ৬ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৫১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। ঘূর্ণিঝড় যদি খুলনা উপকূলে আঘাত নাও হানে, তবুও এর প্রভাবে নদনদীতে পানির চাপ বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। আর পানি বাড়লে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার ভয় আছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সময়মতো মেরামতের উদ্যোগ নিলে কম খরচ ও কম সময়ের মধ্যে মানসম্মত কাজ সম্ভব। তবে বর্ষার আগ মুহূর্তে যখন নদীতে জোয়ারের পানি বেড়ে বাঁধ কানায় কানায় পূর্ণ হয়, পাউবো কর্তৃপক্ষ সে সময় এসে মেরামতের উদ্যোগ নেয়। এতে একদিকে খরচ বাড়ে, অন্যদিকে তড়িঘড়িতে কাজ হয় নিম্নমানের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) গত অর্থবছরের কাজ এখনও চলছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের অভিযোগ, অসময়ে এসে কার্যাদেশ পাওয়ায় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় মাটি পাওয়া যায় না। এ জন্য বাঁধ মেরামতে দেরি হয়।

কয়রার কাশিয়াবাদ গ্রামের আবু সাঈদ সরদার বলেন, ‘‘নদীর পানির চাপে কাশিয়াবাদ স্লুইসগেটের দুই পাশে বাঁধে ফাটল ধরিছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড তা মেরামত করতিছে না। সময়ের কাজ সময়মতো করলি আমাগে এত ভুগতি হতো না। গাঙের পানি যখন চরের নিচে থাকে, তখন কারও দেখা পাওয়া যায় না। যেই সময় গাঙের পানি বান্ধের কানায় কানায় আইসে ঠেকে, তখনই শুরু হয় ‘মিয়া সাহেবগে’ তোড়জোড়। এ পর্যন্ত যতবার বান্দ ভাঙিছে সব ওই সাহেবগের গাফিলাতির কারণেই ঘটিছে।’’

একই উপজেলার গোবরা গ্রামের বাসিন্দা রেজাউল করিম কপোতাক্ষ নদের তীর দেখিয়ে বলেন, ‘প্রায় এক বছর ধরে বাঁধটি গাঙের পাশের দিকে ভাঙতি ভাঙতি সরু হয়ে গেছে। এখন জোয়ারের পানির যে চাপ বাড়তিছে, তাতে যে কোনো সময় অঘটন ঘটতি পারে। এ বাঁধ ভাঙলি উপজেলা পরিষদসহ ২০-৩০ গ্রাম গাঙের পানিতে তলায়ে যাবে। সেদিকে কারও কোনো খেয়াল নেই। বাঁধ ভাঙলি আমাগে মতোন গরিব মানষির হবে মরণদশা।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) খুলনার ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুর রহমান জানান, তাদের আওতাধীন ৩৬৫ দশমিক ২৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ১০ দশমিক ৫ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

পাউবো খুলনার ডিভিশন-২ এর অধীনে কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটায় বেড়িবাঁধ রয়েছে ৬৩০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১২ কিলোমিটার। এই ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হচ্ছে।

পাউবো সাতক্ষীরার ডিভিশন-১ এর অধীনে ৩৮০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ৫ কিলোমিটার জরাজীর্ণ বলে জানান নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সালাহউদ্দিন।

সাতক্ষীরা ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসিকুর রহমান জানান, তাদের আওতাধীন এলাকায় ২৯৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ৮ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ। এ বাঁধ মেরামত করা হবে।

পাউবোর বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান মোহাম্মদ আল বিরুনী জানান, জেলার ৩৩৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ১৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ। বরাদ্দ না থাকায় তা মেরামত করা যায়নি। এ ছাড়া শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল ও মোংলায় নতুন করে ১৮৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন।

এদিকে কয়রা উপজেলার সাত ইউনিয়নের মধ্যে এখন চারটির বেড়িবাঁধ বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে কয়রা সদর ইউনিয়নের মদিনাবাদ লঞ্চঘাট থেকে গোবরা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার, হরিণখোলা-ঘাটাখালী এলাকায় এক কিলোমিটার, ৬ নম্বর কয়রা এলাকায় প্রায় ৬০০ মিটার বাঁধ ধসে সরু হয়ে গেছে। মহারাজপুর ইউনিয়নের কাশিয়াবাদ, মঠেরকোনা, মঠবাড়ি, দশহালিয়া এলাকায় প্রায় ২ কিলোমিটার ঝুঁকিতে রয়েছে। উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের কাটকাটা থেকে গণেশ মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত এক কিলোমিটার, কাশিরহাটখোলা থেকে কাটমারচর পর্যন্ত ৭০০ মিটার, পাথরখালী এলাকায় ৬০০ মিটার এবং মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের শেখেরকোনা, নয়ানি, শাপলা স্কুল এলাকা, তেঁতুলতলারচর ও চৌকুনি এলাকায় প্রায় ৩ কিলোমিটারের মতো বাঁধ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ দেখা গেছে।

পাউবো খুলনা-২ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, সময়ের কাজ অসময়ে এসে করা হয়, এটা ঠিক না।

আমরা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের তালিকা করে বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠাই। সেটি অনুমোদনে সময় লাগে।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ পড়ুন
add

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
prolancer
add
lake view
Theme Created By ThemesDealer.Com