
পূর্বে ডাঃ আসাদুজ্জামান নিজের অপরাধ ঢাকতে ঘটনাটিকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করলেও, তদন্তের মুখামুখি হওয়ার আগেই তাঁর স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে যে সরকারি সেবাকেন্দ্রে রোগীদের ও তাঁদের স্বজনদের সাথে কী ধরনের বর্বর আচরণ করা হচ্ছিল।
সাধারণ মানুষ যেখানে জীবন রক্ষায় ও সেবার আসায় সরকারি হাসপাতালে ছোটেন, সেখানে একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের এমন সন্ত্রাসী আচরণ ও পরবর্তীতে তা চেপে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে চরম প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। সচেতন নাগরিক সমাজ ও ভুক্তভোগীর পরিবার অবিলম্বে উক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কেবল লোকদেখানো তদন্ত নয়, বরং দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক কঠোর প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থার জোর দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার সার্বিক বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ শেখ কুদরত-ই খোদা অত্যন্ত শক্ত ও নীতিগত অবস্থান ব্যক্ত করে বলেন, রোগীদের সুষ্ঠু ও উন্নত সেবাদান এবং তাঁদের স্বজনদের সাথে সম্মানজনক ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার।
সরকারি চিকিৎসা সেবাকেন্দ্রে যেকোনো প্রকার অপেশাদার আচরণ বা শৃঙ্খলাভঙ্গ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ও সেবার মান সমুন্নত রাখতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। তদন্ত প্রক্রিয়া ও স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক দৃষ্টান্তমূলক প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ শরিফুল ইসলাম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়
E-mail: dailyajkersomoy@gmail.com
অফিসঃ- ০১৭১৬-৩০৮০৮১, বিজ্ঞাপনঃ- ০১৯১৩-৬৮৬২০০