
অনেক সময় দুপুরে খাবারও দেওয়া হতো না এবং বাবার বাড়ির কারও সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হতো না। তিনি বলেন, ‘আমরা মেয়েকে বাড়িতে আনতে চাইলে পাঠাত না। অনেক সময় মেয়েটা লুকিয়ে আমাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলত।’ তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে কারিনার লুকিয়ে তাঁর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। পরে সন্ধ্যার দিকে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন, কারিনার মারা গেছেন।
চপলা দাশের অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্বামী সুজিত দাশ, শ্বশুর তপন দাশ, শাশুড়ি লিপি দাশ, ভাশুর শ্যামাপদ দাশ, দেবর অজিত দাশ ও মামা মানিক দাস পরিকল্পিতভাবে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরদেহ ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হয়।
মানববন্ধনে ভূমিহীন আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মো. আব্দুস সাত্তার, প্রতিবেশী রবিন সরকার, শঙ্কর কুমার দাশ, অরুনা দাশীসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন। প্রতিবেশী রবিন সরকার বলেন, কারিনার খুব শান্ত স্বভাবের মেয়ে ছিলেন। বিয়ের পর থেকেই তিনি শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন বলে এলাকাবাসীর মধ্যে আলোচনা ছিল।
তাঁর দাবি, কারিনার আত্মহত্যা করার মতো মেয়ে নন; তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাঁদের সন্দেহ। এ বিষয়ে পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুল কবীর বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ শরিফুল ইসলাম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়
E-mail: dailyajkersomoy@gmail.com
অফিসঃ- ০১৭১৬-৩০৮০৮১, বিজ্ঞাপনঃ- ০১৯১৩-৬৮৬২০০