
মুফতি মহিবুল্লাহ বলেন, গতকাল সকাল ৭টার দিকে হাঁটতে বের হলে পাঁচজন লোক একটি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে এসে আমাকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর মাথায় আঘাত করে অচেতন করে ফেলে। আমাকে উলঙ্গ করে অমানবিক নির্যাতন চালায় এবং গালিগালাজ করে। তারা শুদ্ধ বাংলায় কথা বলছিল, মনে হয় না তারা বাংলাদেশের নাগরিক।
তিনি বলেন, চিঠিতে লেখা ছিল, অখণ্ড ভারতের পক্ষে কথা বলতে হবে, চিন্ময় কৃষ্ণের জামিনের বিষয়ে সহানুভূতিশীল হতে হবে, মুসলমান মেয়েরা হিন্দু ছেলেদের সঙ্গে বিয়ে করতে পারে— এমন মাসয়ালা দিতে হবে। এছাড়া মসজিদে কোরআন পড়তে নিষেধ করে এবং ইসলাম ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলতে বলে।
পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান বলেন, সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে অচেতন অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। বর্তমানে তিনি চেতনা ফিরে পেয়েছেন এবং সুস্থ আছেন।
পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি বলেন, সকাল সাড়ে ৬টায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। তার বক্তব্য অনুযায়ী, বুধবার টঙ্গী থেকে ফজরের নামাজ শেষে হাঁটার সময় একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত চলছে। ইতোমধ্যে টঙ্গী থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ শরিফুল ইসলাম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়
E-mail: dailyajkersomoy@gmail.com
অফিসঃ- ০১৭১৬-৩০৮০৮১, বিজ্ঞাপনঃ- ০১৯১৩-৬৮৬২০০