
একপর্যায়ে আমিনুল ইসলাম জানতে পারে যে, কবিতা পারভীনের অভিভাবকদের সাথে মো. হেলাল উদ্দিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। তখন আমিনুল ইসলাম হেলাল উদ্দিনের কাছে গেলে মামলা মীমাংসা ও তালাকনামার কাগজ নিয়ে দেবে বলে ৪ লক্ষ টাকা দাবি করে। লংকারচর গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানসহ অনেকের উপস্থিতিতে ওই টাকা আমিনুল ইসলাম হেলাল উদ্দিনকে প্রদান করে।
ওই টাকা হেলাল উদ্দিন মেয়ে পক্ষকে না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করে। পরবর্তীতে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ইং তারিখে সাবেক ইউ.পি. সদস্য মো. শামছুল আলমের মধ্যস্থতায় মোহরানার ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা কবিতা পারভীনকে প্রদান করে তালাকের কাগজ নেয় ভুক্তভোগী মো. আমিনুল ইসলাম।
এদিকে গ্রামের স্থানীয় মাতব্বরদের উপস্থিতিতে শালিস বৈঠকে আমিনুল ইসলামের টাকা ফেরত চাওয়া হলে টালবাহানা করে হেলাল উদ্দিন। একপর্যায়ে হেলাল উদ্দিন আমিনুল ইসলামের উপর চড়াও হয়। হেলাল উদ্দিন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার প্রভাবে কাউকে তোয়াক্কা করতেন না বলে জানা যায়।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপ পরিদর্শক মো. খায়রুল ইসলাম জানান, উক্ত টাকার ব্যাপারে হেলাল উদ্দিনকে অভিহিত করা হলে নানা টালবাহানা করে। বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপণ করে। আবার কোনসময় টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে। একপর্যায়ে স্বীকার করলেও তা ফেরত দেবে না বলে জানায়। প্রয়োজনে আইনানুযায়ী প্রশাসনকে টাকা দেবে তবুও আমিনুল ইসলামকে দেবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয় অভিযুক্ত মো. হেলাল উদ্দিন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ শরিফুল ইসলাম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়
E-mail: dailyajkersomoy@gmail.com
অফিসঃ- ০১৭১৬-৩০৮০৮১, বিজ্ঞাপনঃ- ০১৯১৩-৬৮৬২০০